বিশ্বের দুই শক্তিশালী দেশ ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে চলমান বাণিজ্যিক আলোচনা একটি নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আমেরিকার বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকে দাবি করেছেন যে, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি প্রায় সম্পন্ন হতে চলেছিল, কিন্তু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন না করার কারণে এটি চূড়ান্ত হয়নি। লুটনির মতে, তিনি চুক্তির সকল প্রক্রিয়া প্রস্তুত করেছিলেন, তবে মোদীর ফোনটি না আসার কারণে সমগ্র বিষয়টি অচল হয়ে পড়ে। লুটনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করার জন্য প্রক্রিয়া অত্যন্ত কাছাকাছি ছিল। তিনি ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম এবং ফিলিপাইনসের সাথে আমেরিকার সম্প্রতি সাইন করা বাণিজ্যিক চুক্তির কথা উল্লেখ করেন, এবং অভিযোগ করেন যে ভারত সহ চুক্তিটি বহু আগে সম্পন্ন হওয়া উচিত ছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত লুটনি ভারতকে বেশি দ اهتمام দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু শেষ মুহূর্তে মোদীর ফোনের অভাবে চুক্তিটি সম্পন্ন হয়নি। এছাড়া, ট্রাম্প সম্প্রতি রাশিয়া থেকে কাঁচা তেল আমদানির বিষয় নিয়ে ভারতে শুল্ক বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেন। তিনি ভারত ও রাশিয়ার শক্তি বাণিজ্যের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং গত আগস্টে ভারত থেকে আমদানি করা পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোহিল জানিয়েছেন, কোনও সময়সীমা বা চাপের মধ্যে ভারত কোনও বাণিজ্যিক চুক্তি করবে না। আমেরিকার সংসদে উত্থাপন করা ‘চেংকচনিং রাশিয়া অ্যাক্ট ২০২৫’ অনুযায়ী, ভারত সহ দেশগুলির উপর শুল্কের পরিমাণ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এই বিলে রাশিয়ার সঙ্গে ইউরেনিয়াম বা পেট্রোলিয়ামের ব্যবসা করা দেশগুলির বিরুদ্ধে চাপ প্রয়োগের লক্ষ্য রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে আমেরিকার এ ধরনের কঠোর অবস্থানের ফলে ভারতের রপ্তানি ক্ষেত্র বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে বলেও বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা রয়েছে। Share this:FacebookX Related Post navigation শ্লীপাৰ বাছ নিৰ্মাণৰ বাবে নতুন নীতি কেন্দ্ৰৰ! যাত্ৰীৰ সুৰক্ষা নিশ্চিত কৰিবলৈ কঠোৰ নীতিন গাডকাৰী পথৰ কুকুৰক আহাৰ দিয়া বিতৰ্কত SCৰ স্থিতি: সৰ্বাত্মক নিৰ্দেশৰ পৰা বিৰত আদালত